আজ মঙ্গলবার, ২২শে ফাল্গুন ১৪৩০, ৫ই মার্চ ২০২৪

বিদ্যুৎ ও পানির অপচয় রোধ এবং সৌর বিদ্যুতের সম্ভাবনা

মেহেদি হাসান

বিদ্যুৎ আমাদের জাতীয় সম্পদ। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সহজলভ্যতার ফলে আমরা অনেকেই বিভিন্ন সময়ে, কারণে বা অকারণে বিদ্যুতের অপচয় করি, যা আমাদের দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর। বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজসম্পদ মন্ত্রনালয় এর ওয়েবসাইট দেওয়া তথ্যানুসারে, বর্তমানে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৭,৩৬১ মেগাওয়াট। বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা ৪ কোটি ৫০ লক্ষ।সারা বিশে^ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত জ্বালানীর মূখ্য উৎস হলো ফসিল ফুয়েল বা জীবাশ্ম জ্বালানী। জ্বালানীর মধ্যে রয়েছে তেল, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি। বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সহজলভ্য হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এটি হয়ে উঠেছে প্রধান জ¦ালানী। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে পাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় মোট বিদ্যুতের ৬৮.৬৩%। বিদ্যুতের চাহিদা দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ ও দিন দিন কমে যাচ্ছে।  [তথ্যসূত্র ঃ বিবিসি.কম ঃ ১ নভেম্বর ২০২২]   তবে আশার কথা হলো যে, গত ২২শে মে ভোলায় নতুন একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় যার নাম দেওয়া হয় ইলিশা-১। নতুন আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রটিতে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট (২০ হাজার কোটি ঘনফুট) গ্যাস মজুদ আছে। সরকারি যে প্রতিষ্ঠানটি খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, পরিশোধন এবং বাজারজাত করার কাজ করে সেই পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইটে দেওয়া ২০২২ সালের জুলাই মাসের তথ্য বলছে, দেশে প্রমাণিত, উত্তোলনযোগ্য আর সম্ভাব্য মিলে মোট মজুদের পরিমাণ ৩০.১৩ টিসিএফ। এর মধ্যে আবিষ্কৃত ২৮ টিসিএফ গ্যাসের মধ্যে এ পর্যন্ত ব্যবহার করা প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিমাণ ১৯.৫ টিসিএফ এর বেশি। যেহেতু প্রতিদিই আমরা গ্যাস খরচ করছি , সে কারণে খরচ হওয়া গ্যাস বাদ দিয়ে আমাদের মজুদ গ্যাসের পরিমাণ ৯.০৬ টিসিএফ। বাংলাদেশ সরকারের মানণীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রানান্ত চেষ্টা অব্যাহত থাকলেও বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। বর্তমানে জ্বালানী সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ হ্রাস পাচ্ছে। কারণ বিশ^ বাজারে এলএনজির (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এই জ্বালানীর দাম অনেক বেড়ে গেছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় বেড়ে গেছে বহুগুণ। তাই জ্বালানীর অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব যেন জনগনকে পোহাতে না হয় সেজন্য সরকার নিজে র্ভতূকি দিয়ে চড়া দামে জ্বালানীর কিনছে, যদিও বিদ্যুতের দাম সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেড়ে গেছে। খোলাবাজারে যে গ্যাসের দাম ছিল ১৫ ডলার, বর্তমানে সেই গ্যাসের দাম হয়েছে ৪১ ডলার। এতে করে ৫০০ কোটি টাকার গ্যাস এখন কিনতে হচ্ছে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকায়। আর এর ফলেই সরকারকে জ¦ালানী কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।  [তথ্যসূত্র ঃ সময়ের আলো ঃ ২১ শে জুলাই ২০২২]

আমাদের করণীয় ঃ  # প্রয়োজন ছাড়া ঘরে লাইট, ফ্যান চালিয়ে রাখা যাবে না। # বিয়ে সহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে। # বিদ্যুতের অপচয় রোধকল্পে সরকারের দেওয়া নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে।  প্রয়োজন ছাড়া বিলাসিতার জন্য বেশি সময় ধরে বাসায় কিংবা অফিসে এসি ব্যবহার করা যাবে না।  বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন ঃ মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, চুল শুকাণোর জন্য হেয়ার ড্রেসার ইত্যাদির ব্যবহার সীমিত পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে। সর্বোপরি বিদ্যুতের অপচয় রোধে সকল কে এগিয়ে আসতে হবে।

“পানির অপচয় রোধˮ

পানি হচ্ছে প্রকৃতির অন্যতম নিয়ামক। পানির অন্যতম উৎস হলো নদী। আর এদেশের প্রকৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে ছোট বড় অনেক নদী। প্রকৃতি ও পরিবেশের কথা চিন্তা না করে আমরা প্রকৃতিকে ধ্বংস করছি অবলীলায়। বড় বড় জলাশয় ভরাট করে তৈরি করছি অট্রালিকা। ভবিষ্যতে এর জন্য আমাদের চরম মূল্য দিতে হবে। পৃথিবীর মোট পানির ৯৭ ভাগ পানি আসে সমুদ্রে থেকে, ২ ভাগ পানি আসে হিমবাহ ও তুষারপাত থেকে, আর মাত্র ১ ভাগ পানি আসে নদ-নদী, হ্রদ, পুকুর, ডোবা, কূয়ো, নলকূপ, ঝর্ণা ও ভূ-গর্ভ থেকে। পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত পানির পরিমাণ ও গুনাগুন হ্রাস পাচ্ছে। পানি বিশ্লেষকদের মতে, আগামী চার দশকের মধ্যে আমাদের দেশে ভূ-গর্ভস্থ পানির পরিমান হ্রাস পাবে আশঙ্কজনক হারে। এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, একজন মানুষ দিনে গড়ে প্রায় ১৯০ লিটার পানি খরচ করে। কল খুলে রেখে দাঁত মাজতে খরচ হয় ৭.৫ লিটার পানি। প্রতিবার ফ্লাশ মানেই ৭.৫ লিটার পানির অপচয়। বাড়িতে পানির দুই-তৃতীয়াংশ যায় বাথরুমে, কল বা ফুটো পাইপ বা যেকোন ধরণের ওয়াটার লিকেজ থেকে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য উপাদান এই পানি, অথচ এর অধিকাংশ অংশই বিভিন্ন ভাবে অপচয় হয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর সব পানিসম্পদের মধ্যে কেবল ২.৫ শতাংশ বিশুদ্ধ। সময়ের অগ্রগতির সাথে সাথে পানি দুষ্প্রাপ্য হয়ে যাচ্ছে। ২০২৫ সালের মধ্যে ৪৮ টি দেশে ২.৮ বিলিয়নের ও বেশি মানুষ পানির সংকটের বা দখলের সম্মুখীন হবে। এসব দেশের মধ্যে ৪০টি দেশ পশ্চিম এশিয়ার। ২০৫০ সালের মধ্যে পানি দখল বা সংকটের সম্মুখীন দেশের সংখ্যা ৫৪ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে, যা চার বিলিয়ন মানুষের সমন্বিত জনসংখ্যার সমান। [তথ্যসূত্র ঃ শেয়ার বিজ ঃ ৩রা নওভেম্বর ২০২১]

বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রেক্ষাপট ও ভয়াবহতা ঃ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত বরেন্দ্র অঞ্চলের তিন জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও রাজশাহীতে ক্রমেই নেমে যাচ্ছে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর। এছাড়া ভূ-গর্ভস্থ পানিতে আয়রন (Fe) ও আর্সেনিকের(As) উপস্থিতিতো আছেই। এসব এলাকায় প্রয়োজনে ৭০০ ফুট পর্যন্ত বোরিং বা খনন করে ও ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর খুঁজে পাওয়া যায়না। জলবায়রু পরিবর্তন, পদ্মার বুকে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ ও বোরো ধানের আবাদে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার এর ফলে ক্রমেই এই অঞ্চল মরুভুমিতে পরিণত হচ্ছে। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলায় একটি গবেষণা পরিচালনা করে ″″Sustaining Ground Water Irrigation For Food Security in The North-West Region of Bangladesh″নামক গবেষনণা সংস্থা। অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানবিষয়ক সংস্থা ″Commonwealth Scientific And Industrial Research Organization(CSIRO)″ এই গবেষণায় নেতৃত্ব দেন। বাংলাদেশে CSIRO এর প্রিন্সিপাল রিসার্চ সাইনটিস্ট হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন মো ঃ মাইনউদ্দিন। এর সাথে আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছিল যার মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অন্যতম। গবেষণা লব্ধ ফলাফলে বলা হয়, অন্য ১৩টি জেলায় বর্ষা মৌসুমে ভু-গর্ভস্থ পানির স্তর স্বাভাবিক হলেও বরেন্দ্র অঞ্চলের এই তিন জেলায় ক্রমেই নেমে যাচ্ছে ভু-গর্ভস্থ পানির স্তর। এমনকি বর্ষা মৌসুমেও এ স্তর স্বাভাবিক অবস্থায় আসছে না। এই গবেষণার প্রথম ধাপ চলেছে ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় ও শেষ ধাপ চলেছে ২০১৬ থেকে ২০২১ পর্যন্ত। [তথ্যসূত্র ঃ দৈনিক আমাদের সময় : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২]

পানির অপচয় রোধে আমাদের করণীয় ঃ # পানির অপচয় রোধের শিক্ষা পরিবার থেকেই সন্তানকে দিতে হবে। ক্স পানির অপচয় রোধ কেন জরুরী? - এই সম্পর্কিত আলোচনা প্রাথমিক, মাধ্যমিক ইত্যাদি পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে # ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় পানি অপচয় রোধের বিষয়টি প্রচারিত হওয়া জরুরী। #পানি ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে। দাতঁ ব্রাশ করার সময়, গোসলের সময়, থালা-বাসন ধোঁয়ার সময় পানির ট্যাপ ছেড়ে রাখা যাবে না। # প্রয়োজনে নিজ উদ্যোগে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করতে হবে। ২০০৪ সালের জুন মাসে ভারতের বেঙ্গালুরু তে মহানগর পালিকা আইন পাশ করেছে যেখানে বৃষ্টির পানি সংরক্ষনকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন যে বহুতল ভবন তৈরি হচ্ছে সেখানে বৃষ্টির পানি সংরক্ষনের জন্য পাইপের ব্যবস্থা রাখতে হচ্ছে। # প্রয়োজনে পরিবেশে পানিসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা প্রয়েগে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তাই আসুন আমরা সকলে মিলে প্রতি ফোঁটা পানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করি।

“সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনাˮ

সৌরবিদ্যুৎ কি ? সৌরবিদ্যুৎ হলো সূর্যরশ্মিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তিতে রুপান্তর করা। প্রত্যক্ষভাবে সূর্যরশ্মিকে ব্যবহার করাকে ফোটো ভোল্টায়িক বলা হয়। পরোক্ষভাবে সূর্যরশ্মিকে ব্যবহার করাকে বলা হয় ঘনীভূত সৌর শক্তি বা কনসেন্ট্রেটেড সোলার পাওয়ার। বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ ধারণার প্রবর্তন হয়।

প্রেক্ষাপট ঃ

মহামারী সংকট আর যুদ্ধাবস্থার কারণে বিশ্বব্যাপী দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি বিশেষ করে সকল ধরণের জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব সারাবিশ্বের মত বাংলাদেশেও। যার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানী তেলের প্রয়োজন মেটাতে সরকারকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই কারণে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর দিকে নজর দিচ্ছে। শুধু জ্বালানীর উপর নির্ভর না করে প্রাকৃতিক উৎস থেকে বিদ্যুৎ উপাদনের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করছে। সৌর বিদ্যুতের ভাবনাটা শুরু হয়েছিল ১৮৬০ এর দশকে। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের একটি বাড়ির ছাদে ১৯৮৪ সালে সর্বপ্রথম সৌরবিদ্যুৎ তৈরি করা হলেও এর প্রসার তেমনভাবে ঘটেনি। তবে বিংশ শতাব্দীতে এসে এটি আবার গুরুত্ব পেতে শুরু করে। ১৯৭৯ সালে বিশ্বে জ্বালানীর সংকট শুরু হলে সৌর প্রযুক্তির গুরুত্ব বাড়তে থাকে। কিন্তু ১৯৮০ সালে জ্বালানী তেলের দাম হ্রাস পেতে শুরু করলে ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন আবার কমে যায়। আবার ২০১৬ সালে বিশ্বে উল্লেখযোগ্য পরিমান সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। সেইসময় চীন সবচেয়ে বেশি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করে।

বাংলাদেশে কয়েক বছর থেকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মূল ভূ-খন্ড থেকে বিছিন্ন ছোট-বড় চরাঞ্চলে, হাওড় অঞ্চলে এই সৌরবিদ্যুৎ উৎপন্ন করে বিদ্যুতের ব্যবহার শুরু হয়। করোনা মহামারী, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইত্যাদি কারণে বর্তমানে জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এমতাবস্থায় প্রাকৃতিক উৎস থেকে উৎপন্ন সৌরবিদ্যুৎ, বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।  গ্লোবাল এনার্জি মনিটর (GEM)ˮ এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার সম্ভাবনায় ২০টি দেশের মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলাদেশ।

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের সুফল ঃ

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণভাবে পরিবেশ বান্ধব। দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ এর দেওয়া তথ্যানুযায়ীবাংলাদেশে প্রতিমাসে গড়ে প্রায় ৮০,০০০ সোলার হোম সিস্টেম বিক্রি হচ্ছে। সারা দেশে প্রায় ৩০ লক্ষ সোলার হোম সিস্টেম বিভিন্ন এনজিও এর সাহায্যে ইনস্টল করা হয়েছে।   গ্লোবাল স্ট্যাটাসের রিপোর্ট অনুযায়ী বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। বর্তমানে ১ কোটির বেশী মানুষ প্রত্যন্ত অঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করছে। [তথ্যসূত্র ঃ প্রতিদিনের সংবাদ ঃ ০৬ মার্চ ২০২১]

লেখকঃ মোসা ঃ হাসনেয়াতুন নেসা, সহকারী অধ্যাপক, রসায়ন বিভাগ, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।


মন্তব্য সমুহ
০ টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন
এই শ্রেনির আরো সংবাদ

ফিচার নিউজ